‘খয়রাতি’ লিখে আনন্দবাজার পত্রিকার ক্ষমা প্রার্থনা

0
79

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের বিষয়ে একটি সংবাদে ‘খয়রাতি’ শব্দ ব্যবহার করায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনাসহ দুঃখ প্রকাশ করেছে ভারতীয় বাংলা পত্রিকা আনন্দবাজার।

আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আনন্দবাজারের ক্ষমা প্রার্থনা ও দুঃখ প্রকাশের কপি প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

‘ভ্রম সংশোধন’ শিরোনামে ক্ষমা প্রার্থনা করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি লেখে, ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’ শীর্ষক খবরে (২০-৬, পৃ ৮) খয়রাতি শব্দের ব্যবহারে অনেক পাঠক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত ও নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী।’

আজ মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমটির প্রিন্ট ভার্সনে চতুর্থ পৃষ্ঠায় এ ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়।

গত রোববার আনন্দবাজারে প্রকাশিত একটি সংবাদে বলা হয় ‘চীন লগ্নি ও ‘খয়রাতি’ টাকার বিনিময়ে ভারত ইস্যুতে বাংলাদেশকে কাছে টানতে চায়।

এ সংবাদ প্রকাশের পর বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে।

এবিষয়ে গতকাল সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, “চীন আমাদের প্রায় আট হাজার পণ্য ৯৭ শতাংশ বিনা শুল্কে রপ্তানির সুযোগ দিয়েছে। চীনের দেওয়া এমন সুবিধাকে আনন্দবাজারসহ ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘খয়রাতি’ উল্লেখ করে খবর প্রকাশ করা মোটেও সমীচীন হয়নি। মিডিয়ার এই শব্দটি ব্যবহার ছোট মানসিকতার পরিচয়।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত সরকার এ বিষয়ে এখনো কিছু বলেনি। দেশটির কয়েকটি পত্রিকা আপত্তিকর ভাষায় মন্তব্য করেছে। তারা এমন শব্দ ব্যবহার করেছে যা কোনোভাবেই ব্যবহার করা উচিত নয়। ভারতীয় কয়েকটি পত্রিকার প্রতিবেদন আমাদের নজরে এসেছে। চীনের দেওয়া সুবিধা সম্পর্কে যে শব্দের ব্যবহার তারা করেছে, তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তবে এর বিরুদ্ধে আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে চাই না। চীন যে সুবিধা দিয়েছে তা আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘদিনের ফসল।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘অনেক আগেই আমরা এ সুবিধা চীনের কাছে চেয়ে আসছিলাম। এমনকি প্রতিবেশী ভারতের কাছেও এ ধরনের সুবিধা চেয়েছি। চীন খুবই উপযুক্ত সময়ে অন্যান্য এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশকে এ সুবিধা দিয়েছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here