রিপাবলিকানে দলত্যাগের হিড়িক, নির্বাচনে হারের আতঙ্কে ট্রাম্প

0
69

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর বেশিদিন বাকি নেই। করোনাভাইরাস আর অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যেই ব্যাপক ঝামেলার মধ্যে আছেন। এমন অবস্থায় নির্বাচন তার জন্য গোদের উপর বিষফোঁড়া হিসেবে দেখা দিয়েছে। আর সেই বিষফোঁড়া ফাটার উপক্রম হয়েছে রিপাবলিকান শিবিরে ট্রাম্পের মিত্র বলে খ্যাত অনেকেই ডেমোক্র্যাট শিবিরে যোগ দেওয়ার ঘটনায়। আর এই ঘটনায় অন্য মিত্ররাও ট্রাম্পকে ব্যাপক চাপের মধ্যে রেখেছেন বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিকরা বলছেন, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসা ট্রাম্পের জন্য চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়াচ্ছে। নির্বাচনের বাকি আর চার মাস। এখন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের যে অবস্থা তাতে অধিকাংশ জনমত জরিপের ফলাফলই তার দিকে যাচ্ছে। সম্প্রতি ইপসোসের এক জরিপে জো বাইডেনের জেতার চান্স ৮৫ শতাংশ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

রয়টার্সকে ট্রাম্পের কয়েকজন মিত্র নাম প্রকাশ না করে জানান, ট্রাম্প নিজেই নিজের শত্রু। গোটা যুক্তরাষ্ট্রে যেখানে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জাগরণ উঠেছে সেখানে ট্রাম্প এখনো তার বক্তব্যে ‘শ্বেতাঙ্গ ক্ষমতা’ নিয়ে বলে যাচ্ছেন, যা ভোটারদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করছে। এক রিপাবলিকান নেতা বলেন, ‘ট্রাম্পের এখন যা অবস্থা তাতে তার নিজের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতেই অনেকটা সময় লাগবে। আর ততদিনে জো বাইডেন তার থেকে অনেক এগিয়ে যাবেন। বরং ট্রাম্প আজকাল যা করছেন তার মানে দাঁড়ায়, তিনি সরে যেতে চাইছেন ক্ষমতা থেকে।’

ধারণা করা হচ্ছে, আগস্ট মাস নাগাদ সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের নেতা মিচ ম্যাককনেল সম্ভবত রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থীদের ট্রাম্প থেকে দূরে

থাকার উপদেশ দেবেন। তার উপদেশটা এমন হতে পারে তারা যদি নিজেরা নির্বাচনে জিততে চান, তাহলে ট্রাম্পের থেকে দূরে থাকাই তাদের জন্য ভালো হবে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজ মুখপাত্র জুড ডিরে জানান, প্রেসিডেন্ট বড় চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে ভয় পান না। ট্রাম্প ও তার দল দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার জন্য কৌশল নিয়ে কাজ করছেন।

হোয়াইট হাউজ ঘনিষ্ঠ এক রিপাবলিকান জানান, গত সপ্তাহে ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে জানানো হয়েছে যে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে জো বাইডেনের থেকে পিছিয়ে পড়েছেন। ওই রিপাবলিকানের মতে, ট্রাম্প জানেন যে তিনি গাড্ডায় পড়তে যাচ্ছেন। আর এ নিয়ে ট্রাম্পের আসলে কিছু করার নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here