করোনায় দেশে ২৪ ঘন্টায় নতুন শনাক্ত ৩৯৪৬, প্রাণ কাড়ল ৩৯ জনের

0
47

সিনিয়র রিপোর্টার: নভেল করোনাভাইরাসজনিত (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬২১ জনে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৩৯৪৬ জন। ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০৬ জন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা অনলাইনে বুলেটিন পড়েন।

তিনি ৬৬টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ হাজার ৫৮৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ৯৯৯টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৪৪৩টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ৯৪৬ জনের মধ্যে। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৯২ শতাংশ। ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ২৬ হাজার ৬০৬ জনে।

নতুন করে যে ৩৯ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৩২ জন ও নারী ৭ জন। এ নিয়ে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে দেশে মোট মারা গেলেন এক হাজার ৬২১ জন। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যু হার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ।

গত বুধবারের (২৪ জুন) বুলেটিনে জানানো হয়, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৬ হাজার ৪৩৩টি নমুনা পরীক্ষায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ৪৬২ জনের মধ্যে।

সে হিসাবে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বেড়েছে দুজনের। দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড আছে ৫৩ জনের। সে তথ্য জানানো হয় ১৬ জুনের বুলেটিনে। আর সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড আছে চার হাজার আট জনের। এ তথ্য জানানো হয় ১৭ জুনের বুলেটিনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮২৯ জন। সব মিলিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৫১ হাজার ৪৯৫ জন। সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারী ৩৯ জনের বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে ২১ থেকে ৩০ বছরের ২ জন, ত্রিশোর্ধ্ব ১ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ৭ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৯ জন, ষাটোর্ধ্ব ১২ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৭ জন, আশি বছরের বেশি বয়সী ৭ জন এবং ৯০ বছরে বেশি বয়সী একজন রয়েছেন।

তাদের মধ্যে ১০ জন ঢাকা বিভাগের, ১০ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৫ জন রাজশাহী বিভাগের, ৫ জন খুলনা বিভাগের, ৩ জন ময়মনসিংহ বিভাগের, বরিশাল বিভাগে ২ জন ও রংপুরে বিভাগের ৪ জন রয়েছেন।

যে ৩৯ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে ২৮ জন হাসপাতালে এবং ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বাসায়।

গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানো করোনাভাইরাস গোটা বিশ্বকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩ লাখ ৬৯ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা চার লাখ ৮০ হাজারের বেশি। তবে ৫০ লাখ ৬০ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here