করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য ফের চীনের ওপর চাপ ট্রাম্পের

0
65

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য ফের করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য ফের চীনের ওপর চাপ দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এ জন্য চীনকেই দায়ী করলেন। মাঝে দু’দিন নীরব ছিলেন ট্রাম্প। সপ্তাহ শেষে সংবাদ সম্মেলন করে করোনা সংক্রান্ত তথ্যও দেননি। তবে সোমবার ফের ক্যামেরার সামনে এলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিতর্কিত মন্তব্যের প্রথা বজায় রাখলেন। যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাস ছড়াতে শুরু করার পরেই চীনকে এক হাত নিয়েছিলেন তিনি। সোমবার তিনি আবার বললেন, চীন চাইলে দেশের মধ্যেই সংক্রমণ আটকে রাখতে পারতো। গোটা বিশ্বে ছড়াতে দিতো না।কিন্তু চীন তা করেনি। আমরা খুব জোড় তদন্ত শুরু করেছি। চীনকে কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে। এ খবর দিয়েছে ডয়েচে ভেলে।

খবরে বলা হয়, চীনের বিরুদ্ধে এ ধরণের কথা অবশ্য এই প্রথম বলেননি ডনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও একাধিকবার বলেছেন। এক সময় করোনা ভাইরাসকে ‘চীনা ভাইরাস’ বলে দাবি করতেন তিনি। যার ফলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতিসংঘ তাকে সতর্কও করেছিল। এর পর ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনের হয়ে কাজ করছে। যে কারণে প্রেসিডেন্টের নির্দেশে আপাতত ওই সংস্থাকে অর্থ দেওয়াও বন্ধ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার ফের সে প্রসঙ্গই তুললেন ট্রাম্প। তার অভিযোগ, চীন চাইলে আরও দ্রুত করোনার প্রকোপ বন্ধ করতে পারতো। সে সুযোগ তাদের ছিল। মূল এলাকা থেকে ভাইরাস যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য আরও অনেক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। সরাসরি না বললেও ট্রাম্পের ইঙ্গিতে স্পষ্ট, করোনা ভাইরাস ছড়ানোর জন্য তিনি চীনের সক্রিয় ভূমিকার দিকে আঙুল তুলছেন।

তবে শুধু যুক্তরাষ্ট্রই নয়, বিশ্বের বহু দেশই করোনার সংক্রমণের জন্য আকারে ইঙ্গিতে চীনকেই দায়ী করছে। তারই মধ্যে চীনের কিছু ঘটনা প্রশ্ন আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ দিকে এরই মধ্যে চীনকে উপেক্ষা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংসদে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিয়েছে তাইওয়ান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংসদ হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতি নির্ধারক মঞ্চ। সেখানে তাইওয়ানের অংশগ্রহণে প্রবল আপত্তি ছিল চীনের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও তাইওয়ানকে জায়গা দিতে চায়নি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে তাইওয়ান নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার মার্কিন স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনাও হয়েছে তাইওয়ানের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। করোনা নিয়ে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের যে বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে, তাতে এ ঘটনা নতুন মাত্রা দেবে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here